শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন

ঘোড়াঘাটের ইউএনও ও গণমাধ্যম

আহমেদ সুমন
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৬ বার

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার ঘটনায় আমরা সবাই বিস্মিত, ক্ষুব্ধ ও হতবাক হয়েছি। ঘটনাটি ঘটেছে ২ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে। নৃশংস এ ঘটনাটি দেশের অন্যতম আলোচিত বিষয়ে পরিণত হয়েছে। ৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় র‌্যাব ১৩-এর সদর দফতরে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়েছে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা প্রাথমিক স্বীকারোক্তিতে বলেছে (দুষ্কৃতকারীদের ‘বলেছেন’ না বলে ‘বলছেন’ বলা বাঞ্ছনীয় বলে মনে করি), তারা ইউএনও ওয়াহিদা খানমের বাসায় ঢুকেছিল চুরির উদ্দেশ্যে। প্রকৃতপক্ষে হামলার উদ্দেশ্য চুরি না ইউএনওকে হত্যা করা, সে ব্যাপারে অনুমান বা ধারণাগত মন্তব্য সঠিক নাও হতে পারে। এ জন্য তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তবে স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বাসভবনে ঢুকে এমন হামলার ঘটনা অনভিপ্রেত ও দুঃখজনকই নয়; অপরাপর কর্মকর্তাদের জন্য উদ্বেগজনকও। এসব বিষয় নিয়ে অবশ্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে অনেক মন্তব্য আসছে। আলোচ্য নিবন্ধে মুখ্যত আমাদের ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলোর ফটো সাংবাদিকরা (ক্যামেরাম্যান) যেভাবে মারাত্মক আহত ইউএনও ওয়াহিদা খানমের লাইভ বা সচল ছবি ধারণ করেছে, সে প্রসঙ্গে আলোচনা করতে চাই।

 

আমরা লক্ষ করেছি যে, ইউএনও ওয়াহিদা খানমকে ঢাকায় আনার পর ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ক্যামেরাম্যানরা তার ছবি নেয়ার জন্য ক্যামেরা অন করে স্ট্রেচারের পেছনে দৌড়াচ্ছেন। ছবি তোলার জন্য এই দৌড় বা মরিয়া চেষ্টা সাংবাদিকতায় কতটা নীতি-নৈতিকতার মধ্যে পড়ে তা নিয়ে বিতর্কের সুযোগ আছে। ছবি তোলার কারণটাও সহজে বোধগম্য। এর সঙ্গে ‘নৈকট্য’ জড়িত আছে। সন্দেহ নেই, মানুষ মাত্রই নৈকট্য বা কাছের ঘটনা জানতে অধিক কৌতূহলী। নিজের চেনাজানা এলাকা, পরিবেশ ও পরিস্থিতি সম্পর্কে দর্শক বা পাঠক যতটা জানতে আগ্রহী, সেই তুলনায় দূরের বা অচেনা-অজানা বিষয়ে জানতে আগ্রহ কম। এ জন্য সংবাদের উপাদানের ক্ষেত্রে নৈকট্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনার বিষয় বৈকি। বলা যায়, স্থানীয় পর্যায়ের পত্রপত্রিকা মানুষ এ জন্যই ক্রয় করে। স্থানীয় সংবাদপত্রগুলো টিকেও আছে এ জন্য। স্থানীয় পত্রপত্রিকাতে স্থানীয় খবরা-খবরের প্রাধান্য থাকে। পাঠকরা ওইসব খবরের মধ্যে ঢুকে যায়। নৈকট্য প্রসঙ্গে খ্যাতিমান গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব কার্ল ওয়ারেন একটা ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, নৈকট্য ভৌগোলিক ও মনস্তাত্ত্বিক- এ দু’ধরনের। তিনি ভৌগোলিক নৈকট্য বলতে এলাকার বা স্থানীয় খবরের সঙ্গে স্থানীয় মানুষের সংযোগকে বুঝিয়েছেন। গণমাধ্যমে প্রচারিত বা প্রকাশিত খবরের মধ্যে দর্শক বা পাঠকের কাছে ওই খবর বেশি গুরুত্ব পায় যে খবরটি তার নিজ এলাকার। এবং এটাই হল ভৌগোলিক নৈকট্য। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এ সময়ে ভুয়া সম্পত্তি দেখিয়ে জোরপূর্বক কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি কোনো ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার চেষ্টার খবরের চেয়ে ঘোড়াঘাট উপজেলাবাসীর কাছে ইউএনও ওয়াহিদা খানমের শারীরিক অবস্থা এখন কেমন, হামলাকারী যুবলীগ নেতা গ্রেফতার, যুবলীগ থেকে তাকে বহিষ্কার ইত্যাদি ধরনের খবর অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আবার পাঠকের মানসিক অবস্থাকে কেন্দ্র করে সংবাদের মনস্তাত্ত্বিক উপাদান গড়ে ওঠে। মানসিকভাবে দর্শক বা পাঠক যখন কোনো ঘটনা বা বিষয়ের সঙ্গে মিশে যান, সহমত পোষণ করেন বা ঘৃণা-বিদ্বেষভাব থাকে তখন সেটা মনস্তাত্ত্বিক নৈকট্যে আসে। মনস্তাত্ত্বিক নৈকট্যে ধর্ম, জাতি, বর্ণ, পেশা, শ্রেণি বিবেচনায় আসে। এটা হতে পারে কাছের কিংবা দূরের। ইরাকে দশজন মার্কিন সৈন্য ইরাকিদের হামলায় নিহত হওয়ার খবর কিংবা মার্কিন সৈন্যদের হামলায় পাঁচজন ইরাকি নিহত হওয়ার খবর বাংলাদেশে পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ জাগায়। এটা মনস্তাত্ত্বিক নৈকট্য। ইরাক বাংলাদেশ থেকে দূরে হলেও বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে ইরাকি জনসাধারণের ধর্মে মিল রয়েছে। ইরাকি জনসাধারণের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের মনস্তাত্ত্বিক নৈকট্য এভাবেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার পরবর্তী ঘটনা প্রবাহের সঙ্গে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের অপরাপর ব্যক্তিদের মনস্তাত্ত্বিক নৈকট্য রয়েছে। সম-পেশা এবং সহকর্মীর জন্য তাদের ভেতরও ক্ষরণ হচ্ছে। তারাও বেদনাহত হয়েছেন।

আলোচ্য নিবন্ধে ইউএনও ওয়াহিদা খানমের সঙ্গে দর্শকদের মনস্তাত্ত্বিক নৈকট্য প্রতিষ্ঠার জন্যই যে ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের ক্যামেরাম্যানদের মরিয়া চেষ্টা, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে মনস্তাত্ত্বিক নৈকট্য প্রতিষ্ঠার জন্য সচল ছবি অপরিহার্য, আমরা তা মনে করি না। মনস্তাত্ত্বিক নৈকট্যের জন্য স্থির ছবির আবেদন কম, সেটা ভাবার অবকাশ নেই। গুরুতর জখম একজন ভদ্রমহিলা, যিনি আবার হিজাব পরেন, তার সচল ছবি তোলা আমাদের সামাজিক মূল্যবোধে কিংবা গণমাধ্যমের নীতি-নৈতিকতার মধ্যে পড়ে কিনা, তা নিয়েও পক্ষে-বিপক্ষে বলার সুযোগ আছে। বলা প্রয়োজন যে, মূল্যবোধ, নীতি-নৈতিকতা আপেক্ষিক বিষয়। স্থান, কাল, পাত্রভেদে এর পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। সমাজবিজ্ঞানী স্টুয়ার্ট সি ডড, নিকোলাস রেসার, এফ ই মেরিল প্রমুখ সমাজবিজ্ঞানী মনে করেন, সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে বিশ্বাসের এক প্রকৃতি বা ধরন, যা গোষ্ঠীগত কল্যাণে সংরক্ষণ করাকে মানুষ গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। অনেকে মনে করেন, মূল্যবোধ হচ্ছে একজন ব্যক্তির কাছে অপর একজন ব্যক্তি যা আশা করে। তারা আরও মনে করেন, ‘সামাজিক মূল্যবোধ হল সেসব রীতিনীতির সমষ্টি, যা ব্যক্তি সমাজের নিকট থেকে আশা করে এবং যা সমাজ ব্যক্তির নিকট থেকে আশা করে।’ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন শাস্ত্রের অধ্যাপক ড. রজত ভট্টাচার্য ২০০৫ সালের দিকে বাংলাদেশে দর্শন কংগ্রেসের এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা এসেছিলেন। পরিচয়ের সেই সূত্রে যোগাযোগটা এখনও আছে। মাঝেমধ্যে ফোনে এবং ই-মেইলে যোগাযোগ হয়। নীতি-নৈতিকতা বিষয়ে ড. ভট্টাচার্যের দৃষ্টিভঙ্গি বেশ পজিটিভ। এ ক্ষেত্রে তার দৃষ্টিভঙ্গি উদার। ড. রজত ভট্টাচার্য বিনয়ের সঙ্গে বলেন, অন্যদের মতো তিনিও ছোটবেলা থেকে শুনে আসছেন যে, দিন দিন নীতি-নৈতিকতার মান পড়ে যাচ্ছে। কয়েক বছর আগেও শুনেছেন যে, আগে সমাজে নীতি-নৈতিকতা ভালো ছিল, এখন খারাপ হয়ে গেছে বা যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সরাসরি উত্তর একটাই- আসলে সব বয়সেই এ রকম বলা হয় যে, আমাদের সময়টি-ই ভালো ছিল। আবার কেউ কেউ মনে করে, আগামী দিনগুলো ভালো হবে। তিনি মনে করেন, এখানে মানুষ বা ব্যক্তি নিজেই তার বর্তমান অবস্থা বা পরিস্থিতিতে অখুশি বোধ করে। কেউ বা মনে করে, ফেলে আসা দিনগুলো ভালো ছিল, আবার কেউ বা মনে করে, ভবিষ্যতের দিনগুলো ভালো যাবে। আসলে ব্যাপারটা হল নিজের উপস্থাপনা। কে কীভাবে চিন্তা করে, সেটা হল বড় কথা। মূল্যবোধটা প্রতিনিয়ত এভাবেই পরিবর্তন হচ্ছে।

সামাজিক মূল্যবোধ বা রীতি-নীতির সঙ্গে গণমাধ্যমের নীতি-নৈতিকতার সংশ্লিষ্টতা আছে। সমাজে বসবাসকারী মানুষ গণমাধ্যমের দর্শক, পাঠক। গণমাধ্যমের নীতি-নৈতিকতা সামাজিক মূল্যবোধ থেকে আহরিত। এতদসত্ত্বেও কট্টর সন্দেহবাদীরা সাংবাদিকতায় নীতি-নৈতিকতার ছিটেফোঁটাও খুঁজে পান না। কারও মতে ‘সাংবাদিকতা’ ও ‘নৈতিকতা’ শব্দদ্বয় দ্বান্দ্বিক। কেউ কেউ মনে করেন, নৈতিকতার একটি আদর্শিক মানদণ্ড থাকে। সাংবাদিকতায় নৈতিকতা বলতে মুখ্যত যোগাযোগ সততা, স্বচ্ছতা, বিশ্বাসযোগ্যতা, ন্যায্যতা, শুদ্ধতা প্রভৃতি বোঝায়। কিন্তু বাস্তবে সংবাদ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে প্রায়ই এ নৈতিকতার ঘাটতি দেখা যায়। সাংবাদিকতা সম্পর্কে যে বিরূপ ধারণা, তা মূলত নৈতিকতার এ ঘাটতির ধারাবাহিকতা থেকেই সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে মনে করেন, গণমাধ্যম বিশেষত ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলোতে তাৎক্ষণিক সংবাদ প্রচারের প্রতিযোগিতায় যে দৌড় লক্ষণীয়, তাতে নৈতিকতা চর্চার সুযোগই থাকছে না। অনেক সাংবাদিক, নীতিনির্ধারক, এমনকি সংবাদ জগতের বাইরের অনেক ব্যক্তি মনে করতে পারেন যে, সাংবাদিকতা ও নৈতিকতা শব্দদ্বয় বিতর্কিত, অবাস্তব বা প্রতারণামূলক। কার আগে কে সংবাদ প্রচার করবে- এটাই হল ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের বৈশিষ্ট্য। এই আগে প্রচারের ক্রেডিটের পেছনে ছুটতে গিয়ে সংবাদ উপাদান এবং সংবাদ মূল্যেরও বাছ-বিচার করার সময় হয় না। অনেক সময় কোনো সোর্সের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের যাচাই-বাছাই করা পর্যন্ত অপেক্ষার তর সহ্য হয় না। আবার এ ক্ষেত্রে কেউ কেউ মনে করতে পারেন যে, বাছ-বিচারের প্রশ্ন তখনই আসে, যখন সংবাদের আধিক্য থাকে। সংবাদের যেখানে আকাল, সেখানে বাছ-বিচার কমই হয়। এ রকম সংবাদ প্রতিনিধির সংখ্যা কম নয় যে, পুরো সপ্তাহে একটিও সে বিশেষ প্রতিবেদন তৈরি করতে পারেনি। এমতাবস্থায় থাকলে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে ওই সংবাদ প্রতিনিধির গুরুত্ব থাকে না। তাই সংবাদের খোঁজে থাকা অবস্থায় যা পাওয়া যায়, তাই তিনি বড় আকারের সংবাদ উপাদান হিসেবে বিবেচনায় আনেন। সামষ্টিকভাবে গণমাধ্যমগুলোও সংবাদ প্রচারের ক্ষেত্রে সংবাদকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে বড় করে দীর্ঘ সময় ধরে প্রচার করে। আবার সপ্তাহজুড়ে বিশেষ প্রতিবেদন তৈরি করতে না পারার সীমাবদ্ধতা শুধু সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদকের ওপরই বর্তায় না। রাজনীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতির অবাধ অনুশীলন না থাকলে সেখান সপ্তাহে একটি বিশেষ প্রতিবেদন তৈরির উপাদান খুঁজে পাওয়া খুব সহজ নয়। সম্ভবত এর প্রভাব গিয়ে পড়ে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ খবরের ওপর। সে ক্ষেত্রে কম গুরুত্বপূর্ণ খবরই বিশাল খবরে পরিণত হয়।

এ কথা সত্য যে, হিউম্যান ইন্টারেস্ট স্টোরির সংবাদ মানুষের আবেগকে সংবেদনশীল করে তোলে। এ ধরনের সংবাদ দেখে বা পড়ে ব্যক্তিমাত্রই ভাবে এমন ঘটনার মুখোমুখি সে নিজেও হতে পারত বা পারে। ওয়াহিদা খানমের ওপর সংঘটিত ঘটনাটি বিশেষত সরকারি অপরাপর কর্মকর্তাদের বেলায় আরও বেশি প্রযোজ্য হতে পারে। আর এ ধরনের ঘটনা সংঘটিত হলে তা গণমাধ্যমের জন্য প্রচারযোগ্য সংবাদ বৈকি। সংবাদ মূল্য বিবেচনায় এ জাতীয় খবর প্রচার করা গণমাধ্যমের শুধু দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না, এর বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলা, দুষ্কৃতকারীদের সামাজিকভাবে অপাঙ্ক্তেয় করা, তাদের গ্রেফতার এবং শাস্তির জন্য প্রচ্ছন্ন চাপ তৈরি করা গণমাধ্যমগুলোর জন্য একটা সামাজিক দায়িত্বও বটে। গণমাধ্যমের এ শুভকৃত্যের জন্যই অনেকে গণমাধ্যমকে সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে চিহ্নিত করে থাকেন। ড্যানিয়েল গার্নার তার The passing of traditional society: Modernizing of the Middle-East গ্রন্থে সমাজ পরিবর্তনে গণমাধ্যমকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে অভিহিত করেন। তার মতে, গণমাধ্যম মানুষের গতানুগতিক জীবনের বদ্ধ পরিবেশ থেকে মুক্ত আধুনিক জীবনে অনুপ্রাণিত করে। গার্নার মনে করেন, টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, চলচ্চিত্র মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ও চেতনাতে ব্যাপক পরিবর্তন করতে পারে। ইউএনও ওয়াহিদা খানমের বাসভবনে ঢুকে তার ওপর নৃশংস হামলা অবশ্যই বড় ধরনের একটি ঘটনা। এর সংবাদমূল্য অনেক। কিন্তু তার ফলোআপ প্রতিবেদনে স্ট্রেচারে থাকা ওয়াহিদা খানমের সচল ছবির আবশ্যকতা রয়েছে কিনা, সে চিন্তা করাও জরুরি।

আহমেদ সুমন : গবেষক ও বিশ্লেষক

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2019 WeeklyBangladeshNY.Net
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com