সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ১০:৪৫ অপরাহ্ন

বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে নেতারা সরকারের দুর্নীতির ফল দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১ মার্চ, ২০২২
  • ৭৯ বার

আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতি আর লুটপাটের কারণেই আজ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতারা।

বিদ্যুৎ-গ্যাসসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ এবং টিসিবির মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে সর্বত্র পণ্য সরবরাহের দাবিতে গতকাল সোমবার মহানগরগুলোতে পৃথক সমাবেশে তারা বলেছেন, দেশে শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি চলছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির চাপে জনজীবনে নাভিশ্বাস সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু জনদুর্ভোগ লাঘবে সরকারের কোনো মাথাব্যথা নেই। কারণ তারা জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসেনি। অবৈধভাবে দখলদারির মাধ্যমে তারা ক্ষমতায় এসেছে। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা ছাড়া এ অবস্থার পরিবর্তনও সম্ভব নয়।

ময়মনসিংহ : নগরীর নতুনবাজারস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে গতকাল ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘অনেকেই আমাকে বলছে- ডা. জাফরুল্লাহ এই নির্বাচন কমিশনকে অনেক ভালো বলেছেন, আপনারাও মেনে নেন। এ ব্যাপারে আমি পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, ডা. জাফরুল্লাহর সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। এটা তার নিজস্ব মন্তব্য। তিনি সবার শ্রদ্ধার মানুষ, জ্ঞানী মানুষ। কিন্তু এ বিষয়ে তিনি বিএনপির পক্ষে কথা বলার কেউ নন।’

ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন যেটাই হোক আমরা তাতে বিশ্বাস করি না। কারণ আওয়ামী লীগ যদি নির্বাচনের সময় সরকারে থাকে তা হলে কোনো নির্বাচন কমিশনই সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারবে না। আওয়ামী লীগ একটি প্রতারক দল, মিথ্যাবাদী ও অত্যাচারী দল। বর্তমান নির্বাচন ব্যবস্থাটাকে তারা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। এরা নির্বাচন করবে কিন্তু মানুষ যাতে ভোট দিতে না পারে তাও নিশ্চিত করবে। তারা তাদের মতো করে সিল মেরে কিংবা ইভিএম দিয়ে ভোট নিয়ে সরকার তৈরি করবে। অর্থাৎ তারা ক্ষমতায় থাকবে ঠিকই, শুধু তারা দেখাবে যে নির্বাচন করেছি। কিন্তু এবার সরকারে থেকে একটি ইলেকশন দিয়ে ভোট নিয়ে চলে যাবেন সেই কাজ আর হবে না। এখনো সময় আছে চাল, ডাল, তেল, গ্যাস-বিদ্যুতের দাম কমান। জনগণের আশা-আকাক্সক্ষা অনুযায়ী পদত্যাগ করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন করে জনগণের হাতে ক্ষমতা দিন। এ দেশের মানুষের আশা-আকাক্সক্ষা একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বিচারব্যবস্থাকে দলীয়করণ করা হয়েছে। সরকার যা হুকুম দেয় তাদেরকে তাই করতে হয়। হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে নিয়ে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী-এমপি ও নেতারা, সেখানে একটা মামলাও হয় না। অথচ আমাদের দলের এবং অঙ্গ-সংগঠনের ৩৫ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ওয়ার্ড থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত, এমন কোনো নেতা নেই যার বিরুদ্ধে ১০ থেকে ১৫টা করে মামলা নেই। পুলিশের হাত থেকে বাঁচার জন্য তারা এলাকা ছেড়ে ঢাকায় গিয়ে রিকশা-ভ্যান চালায়, হকারি আর নৈশপ্রহরীর কাজ করে।’

ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ ওয়ারেস আলী মামুন, শরীফুল আলম প্রমুখ। সমাবেশের সঞ্চালনা করেন মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবু ওয়াহাব আকন্দ এবং যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী।

চট্টগ্রাম : জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে- সরকারের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘এদেশের মানুষের মূল্যই কমেছে; বাকি সবকিছুর দাম বেড়েছে। কেবল আওয়ামী লীগের নেতা ও চাটুকারদের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। ১০ টাকায় চাল দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেও জনগণ ৭০ টাকায় চাল কিনে খাচ্ছে।’

চট্টগ্রাম নগরীর পলোগ্রাউন্ড স্কুল সংলগ্ন মাঠে গতকাল বিকালে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি ও দুর্নীতির প্রতিবাদে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি এ সমাবেশের আয়োজন করে।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘এই মুহূর্তে বাংলাদেশ একটি অদ্ভুত দেশ। অদ্ভুত দেশের সরকারের আচরণও অদ্ভুত। এখানে খুন, হত্যা, গুম, দাম বৃদ্ধি ও নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করতে হয়। সরকার বলছে, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে; আমরাও বলছি বেড়েছে, তবে আওয়ামী লীগের নেতা ও তাদের চামচাদের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। এই সরকার যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই লুটপাট করেছে। লুটপাটের মাধ্যমে ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করেছে। বাকশাল সরকার আর আজকের সরকারের মধ্যে কোনো তফাৎ নেই। জনগণের প্রতি এই সরকারের কোনো দায়বদ্ধতা নেই। কারণ জনগণের ভোট তাদের প্রয়োজন হয় না। দেশের মানুষ বহুদিন ভোট দিতে পারে না, কীভাবে দেয় সেটাও ভুলে গেছে।’

নতুন নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিএনপি কথা বলতে চায় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই কমিশনের অধীনে বিএনপি নির্বাচনে যাবে না। নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ছাড়া কোনো নির্বাচনে অংশ নেব না। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপি সরকার গঠন করবে। তখন সব অপরাধের বিচার হবে। ঘরে ফিরে যেতে আমরা মাঠে নামিনি। এ প্রতিবাদ প্রতিরোধে রূপ নেবে।’

নগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, নগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, যুগ্ম আহ্বায়ক এমএ আজিজ, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রমুখ বক্তব্য দেন।

খুলনা : নগরীর কেডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনের চত্বরে বিকালে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে মহানগর বিএনপি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘অবৈধ, অনির্বাচিত, দখলদার সরকারের দুর্নীতির কারণে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। জনগণের কাছে তাদের জবাবদিহিতা নেই, দায়বদ্ধতা নেই বলেই দফায় দফায় পানি, তেল, গ্যাস, বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে জনজীবনে নাভিশ্বাস সৃষ্টি করেছে। ন্যূনতম পুষ্টিকর খাবার সংগ্রহ করতে পারছে না অধিকাংশ পরিবার। সরকার যখন মধ্যম আয়ের দেশের মিথ্যা দাবি তুলছে, সেই সময় একটি প্রজন্ম বেড়ে উঠছে প্রয়োজনীয় পুষ্টিচাহিদা পূরণ না করে। তেল, গ্যাস, বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে সরকার জনগণের পকেট কাটছে, আর সরকারি সিন্ডিকেট মুনাফা লুটে নিয়ে যাচ্ছে। দুর্নীতি আর লুটপাটের বদৌলতে সরকার ও তার অনুসারীরা ফুলেফেঁপে বড়লোক হয়ে যাচ্ছে।’

খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এসএম শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিএনপির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, কেন্দ্রীয় নেতা আলহাজ রকিবুল ইসলাম বকুল, বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কু-ু, সহ প্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ শামিমুর রহমান শামীম প্রমুখ।

কুমিল্লা : তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ পানিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপির উদ্যোগে গতকাল বিকালে নগরীর ধর্মসাগরপাড়স্থ দলের অস্থায়ী কর্যালয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘এ সরকারকে হটাতে হলে রাজপথে নামতে হবে। রক্তে রঞ্জিত করতে হবে রাজপথ। তবেই সরকারের পতন হবে। তাদের সময় শেষ হয়ে এসেছে, সরকারের উচিত ক্ষমা চেয়ে পদত্যাগ করে জনগণের কাছে ক্ষমতা তুলে দেওয়া। না হয় টেনেহিঁচড়ে ক্ষমতার মসনদ থেকে নামানো হবে।’ কেন্দ্রীয় বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক এবং কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির (কুমিল্লা বিভাগীয়) সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিঞা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সায়েদুল হক সাঈদ প্রমুখ।

রংপুর : নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে রংপুরেও সমাবেশ করেছে বিএনপি। রংপুর মহানগর বিএনপির উদ্যোগে গতকাল সন্ধ্যায় নগরীর গ্রান্ড হোটেল মোড়স্থ জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে স্টেশন রোড সড়কে ওই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি সামসুজ্জামান সামুর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ভিপি ইব্রাহিম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রইচ আহমেদ, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মিজু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান লাকু প্রমুখ। এ সময় বক্তারা বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। মধ্যবিত্তরা বাড়িঘর ছেড়ে দ্রব্যমূল্য কেনার জন্য মুখ ঢেকে টিসিবির লাইনে দাঁড়াচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১০ টাকার কেজি দরে চাল খাওয়ানোর কথা বলে ক্ষমতায় এসে সেই চাল এখন ৭০ টাকায় খাওয়াচ্ছে। আর ৪০ টাকার চাল বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। সব ক্ষেত্রে তারা দুর্নীতি করে দেশকে পঙ্গু করে দিয়েছে। ইতিমধ্যে এই সরকার দুর্নীতি করে ১০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। গণআন্দোলনের মাধ্যমে গণ-অভ্যুত্থান ঘটিয়ে এ সরকারকে উৎখাত করা হবে। বর্তমান যে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে তা সরকারের অনুগত দাবি করে বক্তারা বলেন, তাদের সঙ্গে কোন আলোচনা হবে না। সরকারকে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য করা হবে এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

গাজীপুর : দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর বিএনপির উদ্যোগে জেলা কার্যালয়ের সামনে গতকাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরকারের উদ্দেশ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, ‘উন্নয়নের প্রকল্পের নামে তোমরা কোটি কোটি টাকা বানিয়েছে এসব প্রকল্প বন্ধ করে জনগণের দিকে তাকাও। জনগণণের সঙ্গে চলো। তবেই বাংলার জনগণ তোমাদেরকে দেশে থাকতে দিবে। অন্যথায় বাংলাদেশে কোনো জায়গা নেই।’ তিনি বলেন, ‘নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। আমরা জনগণের সঙ্গে আছি। দ্রব্যমূল্য কমাতে হবে, নইলে শেখ হাসিনা তোমাকে বাংলাদেশে থাকতে দেওয়া হবে না হবে না।’ সেলিমা রহমান বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও বর্তমান সরকার সমাজকে কলুষিত করেছে। জনগণকেও দুর্নীতি শিখাচ্ছে। দুর্নীতি এখন ওপেন সিক্রেট হয়ে গেছে।’ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সালাউদ্দিন সরকারের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, কেন্দ্রীয় নেতা ডা. মাজহারুল আলম প্রমুখ।

ফরিদপুর : বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান ফরিদপুরের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ‘বর্তমান সরকারের আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে না।’ ফরিদপুর প্রেসক্লাব চত্বরে জেলা বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দলটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহিরুল হক শাহজাদা মিয়া, ফরিদপুর বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মাসুকুর রহমান, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা, সাবেক এমপি ইয়াসমিন আরা হক, খন্দকার নাসিরুল ইসলাম, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী নায়াব ইউসুফ প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2019 WeeklyBangladeshNY.Net
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com