মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৯:২৪ অপরাহ্ন

শিশুদের জন্য সুন্দর ভবিষ্যত গড়ে যেতে চাই : প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ, ২০২২
  • ২১ বার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘শিশুদের জন্য আমরা একটা সুন্দর ভবিষ্যত গড়ে যেতে চাই। এজন্য দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আজকে আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। এ মর্যাদা ধরে রেখেই আগামী দিনের বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলব।’

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে গোপালগঞ্জে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবসের আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শিশুরা সুরক্ষিত থাকবে, সুন্দর জীবন পাবে। তাই জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে ১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের পর শিশুদের উন্নয়নের জন্য বহু প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণসহ আমরা নানা ব্যবস্থা নিই। ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে শিশুদের সুরক্ষার জন্য জাতীয় শিশুশ্রম নীতি ২০২১, পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ সুরক্ষা আইন ২০১০, জাতীয় শিশু নীতি ২০১১, মাতৃদুগ্ধ বিকল্প শিশুখাদ্য বাণিজ্যিকভাবে প্রস্তুতকৃত শিশুর বাড়তি খাদ্য ও ব্যবহার সরঞ্জামাদি বিপণন নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৩ প্রণয়ন করি। প্রতিবন্ধীদের সুরক্ষার জন্য প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে জাতীয় কর্ম-পরিকল্পনা ২০১৩-২০২৫ প্রণয়ন করে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।’

‘বাংলাদেশ শিশু একাডেমি আইন ২০১৮, বাল্যবিবাহ নিরোধকল্পে জাতীয় পরিকল্পনা ২০১৮-২০৩০ পর্যন্ত প্রণয়ন করেছি এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন ২০২০ প্রণয়ন করে নারী ও শিশুদের সার্বিক সুরক্ষার ব্যবস্থা নিয়েছি। শতভাগ শিশু যাতে স্কুলে যায় সে ব্যবস্থা নিয়েছি। করোনাকালীন সময়ে শিশুরা যাতে শিক্ষায় বঞ্চিত না হয় সেজন্য অনলাইন ক্লাসসহ নানা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’- যোগ করেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘শিশুদের খেলাধুলাসহ নানা প্রতিযোগিতার জন্য প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মিনি-স্টেডিয়াম তৈরি করে দিচ্ছি। শুরু থেকেই শিশুরা যাতে নানা ধরনের শিক্ষা পেতে পারে সেজন্য প্রাইমারি পর্যায় থেকে উচ্চপর্যায় পর্যন্ত আন্তঃস্কুল খেলাধুলার প্রতিযোগিতা ও সংস্কৃতি চর্চাসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এভাবে শিশুদের জন্য আমরা বিভিন্ন কাজ যাচ্ছি।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য ২০৪১। ২০৭১ এ আমরা স্বাধীনতার শতবর্ষ উদযাপন করব এবং ২১০০ সাল পর্যন্ত এ বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনাও আমি করে দিয়ে গেছি। শিশুদের ভবিষ্যত যাতে উজ্জ্বল হয়, সুন্দর হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের সব কর্মপরিকল্পনা।’

বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধের ১ নম্বর গেটের সম্মুখভাগে বিকেল ২টা ৫০ মিনিটে আলোচনা সভা শুরু হয়। এতে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য ও গোপালগঞ্জ- ২ আসনের সংসদ সদস্য ড. শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি, মুজিববর্ষ জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা এবং শিশু প্রতিনিধি উত্তর গোপালগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী শেখ মুনিয়া ইসলাম।

আলোচনা সভা শেষে পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয়, ভাগ্নে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকী ববি ও অন্যান্য অতিথিদের সঙ্গে দর্শক সারিতে বসে প্রধানমন্ত্রী উপভোগ করেন ‘টুঙ্গিপাড়া হৃদয়ে পিতৃভূমি’ শিরোনামে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2019 WeeklyBangladeshNY.Net
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com