শুক্রবার, ২০ মে ২০২২, ১০:২৪ অপরাহ্ন

মুচলেকা দিয়ে চলছে বাংলাদেশ বিমান

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৪ এপ্রিল, ২০২২
  • ১৩ বার

জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এখন চলছে ধার-দেনা করে। ফ্লাইট চালাতে গিয়ে করতে হচ্ছে ঋণ। ধার-দেনা করে কিনছে যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ। নিয়মিত পরিচালন ব্যয়ও বহন করা যাচ্ছে না। ফ্লাইট পরিচালনার অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরের রুটিন চার্জ পরিশোধ করতে পারছে না। অবস্থা এতই বেগতিক হয়ে পড়েছে যে বাণিজ্যিকভাবে বিমান তাদের উড়োজাহাজ চালাতে এয়ার অপারেটর সার্টিফিকেট (এওসি) নবায়ন করতে পারছিল না। বকেয়া পরিশোধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় মুচলেকা দিয়ে এওসি নবায়নের সুযোগ পেয়েছে বিমান।

জাতীয় এয়ারলাইনসটির কাছে ৪ হাজার ৪৫০ কোটি ৭৬ লাখ ৪৫ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক)। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে নেওয়া ইজারার টাকা পরিশোধে ব্যর্থ বিমান। এমনকি জ্বালানির টাকাও পরিশোধ করতে পারছে না। ২ হাজার ১০৮ কোটি টাকা বকেয়ার মধ্যে মাত্র ২০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়। এরই মধ্যে ঢাকা থেকে কানাডা সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে ২৫ কর্মকর্তার পেছনে প্রায় ৪ কোটি টাকা গচ্চা দিল। পরীক্ষামূলক এ ফ্লাইট পরিচালনার পর উপলব্ধি হয়েছেÑ এ পথে সরাসরি ফ্লাইট চালু ভুল সিদ্ধান্ত। তাই মাঝপথে আরেকটি গন্তব্য নির্ধারণ করতে হবে। এখন ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে ফ্লাইট পরিচালনার অপেক্ষায় আছে বিমান কর্তৃপক্ষ।

যে কোনো এয়ারলাইনস বাণিজ্যিকভাবে ফ্লাইট পরিচালনায় বেবিচকের মাধ্যমে এওসি নিতে হয়। বাংলাদেশ বিমানের এওসির মেয়াদ ফুরিয়েছে চলতি বছর তথা ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রæয়ারি। এটি নবায়নের ক্ষেত্রে আগে বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ দেয় বেবিচক। কারণ বিমানের কাছে সংস্থাটির পাওনা প্রায় ৪ হাজার ৪৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে মূল বিল ৯৮৬ কোটি ৪৬ লাখ ৬৬ হাজার ৮৭৮ টাকা। আর ভ্যাট ও আয়কর ২৭১ কোটি ৮৬ লাখ ৫০ হাজার ২৯৯ টাকা। এর বাইরে বকেয়ার ওপর অতিরিক্ত চার্জ (সারচার্জ) ৩,১৯২ কোটি ৪৩ লাখ ২৩ হাজার ৫০০ টাকা। দীর্ঘদিন ধরে যথাসময়ে বিল পরিশোধ করতে পারছে না বিমান। ফলে বকেয়া বাড়ছে।

আবার এই বকেয়া অর্থের ওপর বেবিচককে আয়কর দিতে হচ্ছে। ফলে একদিকে বকেয়া অর্থ পাচ্ছে না, অন্যদিকে ওই বকেয়ার ওপর আয়কর পরিশোধের কাজটি করতে হচ্ছে বেবিচককেই। এমন বাস্তবতায় বিমান কর্তৃপক্ষ মুচলেকা দেয় যে কয়েকটি ধাপে তারা বকেয়া পরিশোধ করবে। গত ৩০ ডিসেম্বর বেবিচককে এ সংক্রান্ত ‘পেমেন্ট প্ল্যান’ জমা দেয় বিমান। সেখানে বলা হয়, ২০২২ সালে ৩৪০ কোটি, ২০২৩ সালে ৪৪০ কোটি, ২০২৪ সালে ৫৯০ কোটি, ২০২৫ সালে ৭৪০ কোটি ও ২০২৬ সালে ২ হাজার ৩৩৩ কোটি ১৫ লাখ টাকাসহ সর্বমোট বকেয়া ৪ হাজার ৪৪৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা পরিশোধ করবে।

বিমানের প্রতিশ্রæতি পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২২ সালে প্রতি মাসে ২৮ কোটি ৩৩ লাখ টাকা পরিশোধের কথা। এর মধ্যে মূল বিল ১২ কোটি ৫০ লাখ আর ভ্যাট-ট্যাক্স ৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। তা ছাড়া বিলম্বে পরিশোধজনিত সারচার্জ ১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। মূলত পুঞ্জীভ‚ত দেনা পরিশোধের ‘পেমেন্ট প্ল্যানের’ সঙ্গে প্রতি মাসের চলতি বিল পরিশোধের অর্থ নিয়মিত পরিশোধের প্রতিশ্রæতি দেওয়া ছিল। সেই মুচলেকায় বিমানের এয়ার অপারেটর সার্টিফিকেট তথা এওসি নবায়ন করে বেবিচক। কিন্তু জানুয়ারি মাসের প্রতিশ্রæতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে বিমানের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। প্রতি মাসে চলতি বিল বাবদ প্রায় ১৬ কোটি টাকা পাওনা হয়। সে হিসাবে বকেয়া অর্থ ২৮ কোটি ৩৩ লাখ এবং চলতি বিলের ১৫ কোটি মিলে ৪৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা পরিশোধের কথা। কিন্তু বিমান পরিশোধ করেছে ১৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এটি প্রতিশ্রæত অর্থের ৩৮.৭৭ শতাংশ।

দেশের বিমানবন্দরগুলো পরিচালিত হয় বেবিচকের অধীনে। সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ফি নিয়ে বিমানের কাছে বেবিচকের পাওনা রয়েছে। সংস্থাটি বলছে, বিমান তাদের ‘প্যাসেঞ্জার মেনিফ্যাস্ট’ সরবরাহ করছে না। ফলে এ দুই বিমানবন্দরে অ্যাম্বারকেশন ফি, বিমানবন্দর উন্নয়ন ফি ও প্যাসেঞ্জার সিকিউরিটি ফির বিল প্রণয়ন ও অর্থ আদায়ে সমস্যা হচ্ছে বলে গত ১৬ মার্চ এক বৈঠকে বেবিচক তুলে ধরেছে। এজন্য সব অ্যারোনটিক্যাল চার্জ যথাসময়ে পরিশোধ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া বিমানের কাছ থেকে কার্গো ফির পাওনা আদায় করা যাচ্ছে না। ২০১৪ সালের ২৭ নভেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এক্সপোর্ট ও ইমপোর্ট কার্গো সেমি অটোমেশন সংক্রান্ত একটি চুক্তি হয় বেচিকের সঙ্গে। সে চুক্তি অনুযায়ী, বেবিচকের এক্সপোর্ট ও ইমপোর্ট কার্গো সেমি অটোমেশন কাজ বেবিচকের নিজস্ব অর্থায়নে হয়েছে। ওই চুক্তির ক্লজ (বি১) অনুযায়ী, প্রতি কেজি ইমপোর্ট কার্গোর বিপরীতে বিমান কর্তৃক আদায়কৃত অর্থ থেকে এক সেন্ট ও প্রতি কেজি এক্সপোর্ট কার্গোর বিপরীতে দুই সেন্ট পরিশোধ করতে হবে বেবিচককে। কিন্তু এখন পর্যন্ত বিমান ইমপোর্ট কার্গোর বিপরীতে বেবিচককে আদায়কৃত কোনো অর্থ পরিশোধ করেনি। তবে এক্সপোর্ট কার্গোর সেমি অটোমেশন চার্জ বেবিচকের মাধ্যমে সরাসরি আদায় করা হয়।

এ নিয়ে বেবিচকের সাম্প্রতিক বৈঠকে বিমানকে জানানো হয়, এপ্রিল (চলতি) মাসের মধ্যে বিমানের মাধ্যমে ইমপোর্ট কার্গোর সেমি অটোমেশন চার্জ বেবিচককে পরিশোধ করতে হবে। নতুবা এক্সপোর্ট কার্গো ওয়্যারহাউসের মতো ইমপোর্ট কার্গো ওয়্যারহাউসের সেমি অটোমেশন চার্জ বেবিচকের মাধ্যমে সরাসরি আদায় করা হবে।

বিমানের বকেয়া পরিশোধের ব্যর্থতার আরেকটি দিক হলো গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং। যে কোনো এয়ারলাইনসের যাত্রীদের মালামাল-ওঠানামার (গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং) সার্ভিস দেয় রাষ্ট্রয়াত্ত প্রতিষ্ঠান বিমান। স্বাধীনতার পর থেকেই এটি বিমানের আয়ের একটি বড় উৎস। এ সার্ভিসের ব্যাপারে বিমান মন্ত্রণালয় গত বছরের ১৫ মার্চ একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। সেখানে বলা আছে, এ খাতের সার্ভিস কোম্পানির মোট রাজস্ব আয়ের ৫ শতাংশ হারে রয়্যালটি চার্জ প্রতি মাসে বেবিচককে পরিশোধের নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু অদ্যাবধি বিমান থেকে এ খাতে কোনো অর্থ পাওয়া যায়নি। চলতি এপ্রিল মাস থেকে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সার্ভিসের রয়্যালটি চার্জ নিয়মিতভাবে পরিশোধের কথা বলেছে বেবিচক। যদিও বিমানের কন্ট্রোলার অব অ্যাকাউন্টস পরিশোধের আশ্বাস দেন ওই বৈঠকে।

সূত্রমতে, কেবল গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং নয়, বিমানের কাছে নন-অ্যারোনটিক্যাল চার্জ পাওনা রয়েছে দেশের বিমান বন্দরগুলোর। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ সব অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরগুলোয় বিমান কর্তৃক ব্যবহৃত জায়গা বা কক্ষের অধিকাংশের ইজারার মেয়াদ পার হয়ে গেছে। কিন্তু ইজারা চুক্তি নবায়নে আগ্রহ নেই বিমানের। এ সংক্রান্ত তথ্য দিতেও তাদের গড়িমসি আছে বলে মনে করছে বেবিচক। গত বছরের মে মাস থেকে এ অবস্থা চলছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রতি মাসে পাওনা রাজস্বের ‘রিকনসাইল’ করতে হয়। তা-ও পারছে না ওই বিমানের কারণে। তাই প্রতি মাসের ক্রমপুঞ্জীভ‚ত অর্থের রিকনসাইলকরণসহ অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরগুলোর নন-অ্যারোনটিক্যাল চার্জ (কক্ষ বা জায়গার ভাড়া, পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস বিল ইত্যাদি) এবং ভ্যাট, আইটি নিয়মিত পরিশোধসহ এ সংক্রান্ত বকেয়া অর্থ পরিশোধের তাগিদ দিয়েছে বেবিচক। এ ছাড়া শাহ আমানত বিমানবন্দরে ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্যাসেঞ্জার ম্যানিফেস্ট নিয়মিত সরবরাহ ও অ্যাম্বারকেশন ফি, বিমানবন্দরের উন্নয়ন ফি ও প্যাসেঞ্জার নিরাপত্তা ফিসহ সব অ্যারোনটিক্যাল চার্জ প্রতি মাসে পরিশোধ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ধার-দেনায় জর্জরিত থাকলেও বিমান ফ্লাইট চালুর ক্ষেত্রে বিলাসিতা ধরে রেখেছে। লোকসানের কথা চিন্তা না করে কেবল দূরপাল্লার ফ্লাইট ঘোষণাতেই তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছে প্রতিষ্ঠানটি। গত ২৬ মার্চ টরন্টোর পিয়ারসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৭০ যাত্রী নিয়ে উড়াল দেয় বিমানের পরীক্ষামূলক বাণিজ্যিক ফ্লাইট। ঢাকা থেকে উড়াল দিয়ে টানা সাড়ে ১৮ ঘণ্টা আকাশে থেকে কানাডায় পৌঁছায় বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ। ২৫ কর্মকর্তার পেছনেই এ সফরে বিমানের খরচ পড়েছে ৪ কোটি টাকা। এই পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য সেটিতে বহন করা যাবে ১৪০ যাত্রী। অথচ বিমানের ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজটির যাত্রী ধারণক্ষমতা ২৯৮ জন। অতিরিক্ত জ্বালানি ও ব্যাগেজের কারণে উড়োহজাহাজের ধারণক্ষমতা কমে যায়। এভাবে আসন ফাঁকা রেখে লোকসান দিয়ে কানাডায় ফ্লাইট পরিচালনা সমীচীন হবে না বলে বোধোদয় হয়েছে তাদের। তাই ঢাকা থেকে টরন্টো যাওয়ার পথে তৃতীয় কোনো গন্তব্যে বিরতি নিয়ে যাত্রী পরিবহন ও জ্বালানি নেওয়া যায় কিনা, তা বিবেচনা করছে। এক্ষেত্রে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক গন্তব্যকে বিবেচনায় রাখা হয়েছে। ফ্লাইটকে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক করতেই সাজানো হচ্ছে এ পরিকল্পনা।

বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবু সালেহ মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আমাদের এই ফ্লাইটটি আরও লাভজনক করতে আমরা নতুন পরিকল্পনা করছি। এ জন্য ইউরোপ বা এশিয়ার কোনো একটি পয়েন্টে স্টপওভার ও রিফুয়েলিং করা যায় কিনা, সেটা আমরা বিবেচনা করছি। কানাডায় আমাদের যে প্রবাসীরা আছেন, তাদের পাশাপাশি আমরা বিদেশিদেরও ফ্লাইটে আনার চেষ্টা করছি।’

কোন গন্তব্যগুলো স্টপওভারের জন্য বিবেচনা করছেন জানতে চাইলে বিমানের এমডি বলেন, ‘এমন একটি গন্তব্য আমরা বিবেচনা করতে চাই যেখান থেকে কম দামে ফুয়েল কেনা যাবে। পাশাপাশি সেটিকে বহন করতে আমাদের খরচ কম হবে। সেটি আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছি।’

আগামী জুনে কানাডার টরন্টোতে ফ্লাইট চালুর মাধ্যমে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার সঙ্গে আকাশপথে যুক্ত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ বিমান। এখন আলোচনা শুরু হয়েছে প্রতীক্ষিত নিউইয়র্কে সরাসরি ফ্লাইট শুরু নিয়ে। গত ১৩ মার্চ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট সরাসরি চালুর বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলীকে চিঠি দিয়েছেন। তিনি এ ফ্লাইট চালুর বিষয়ে নিউইয়র্ক প্রবাসী বাংলাদেশিদের দাবির বিষয়টি তুলে ধরেন। চালু নিয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তাও জানাতে অনুরোধ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এ নিয়ে বিমান সূত্র জানিয়েছে, ১৯৯৬ সালে নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে বন্ধ হয় ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইটটি। বাংলাদেশকে ক্যাটাগরি ২-এ অবনমন করে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশপথের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফেডারেল এভিয়েশন অথরিটির (এফএএ)। সে সময় এই রুটে যুক্তরাষ্ট্রের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ম্যাকডোলান্ড অ্যান্ড ডগলাসের তৈরি ডিসি-১০ মডেলের উড়োজাহাজ ব্যবহার করত বিমান। ক্যাটাগরি ১-এর মর্যাদা পুনরুদ্ধারে বেশ কয়েক বছর ধরেই চেষ্টা চলছে। সেই চেষ্টার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১২টি নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজও কিনেছে বিমান

নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের। ক্যাটাগরি-২ থেকে ক্যাটাগরি ১-এ উন্নীত হতে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশপথের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফেডারেল এভিয়েশন অথরিটির (এফএএ) চাহিদা অনুযায়ী সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়। এখন অপেক্ষা এফএএর চ‚ড়ান্ত নিরীক্ষা প্রতিবেদনের। মন্ত্রণালয় আশা করছে, খুব শিগগিরই এ বিষয়ে একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2019 WeeklyBangladeshNY.Net
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com