বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৩:০৬ অপরাহ্ন

দাম বাড়ার তালিকায় তেল-পেঁয়াজের পাশে এবার রসুন

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৩ মে, ২০২২
  • ৬ বার

ঈদের পর নতুন করে আবারও বেড়েছে পেঁয়াজ-রসুন, ডিমের দাম। দুই দিনের ব্যবধানে কেজিপ্রতি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা। পেঁয়াজের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে দেশি রসুনের দাম। একদিনের ব্যবধানে দেশি রসুনের দাম বেড়ে দ্বিগুনের বেশি হয়ে গেছে। পাশাপাশি ডিমও কিনতে হচ্ছে বাড়তি দাম দিয়ে।

শুক্রবার রাজধানীর আড়তগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা দেশি রসুনের কেজি বিক্রি করছেন ৯০ থেকে ১০০ টাকা, যা একদিন আগেই ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। কয়েকদিন আগে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া আমদানি করা রসুনের দাম বেড়ে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা হয়েছে।

রসুনের দাম বাড়ার বিষয়ে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী আলাউদ্দিন জানান, এখন বাজারে দেশি রসুনের সরবরাহ অনেক কম। এ কারণে দেশি রসুনের দাম বেড়ে গেছে। এই পরিস্থিতি থাকলে সামনে রসুনের দাম আরও বাড়তে পারে।

রসুনের মতো বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। ঈদের আগে ২৫ থেকে ৩০ টাকা বিক্রি হওয়া পেঁয়াজের দাম ঈদের পর কয়েক দফা বেড়ে এখন ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

ব‍্যবসায়ীরা বলছেন, ভারতের পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ। এ ছাড়া বৃষ্টির কারণে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পেঁয়াজ নষ্ট হয়েছে। এসব কারণে দাম বাড়ছে।

সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আগের মতো ব্যবসায়ীরা বেগুনের কেজি বিক্রি করছেন ৫০ থেকে ৭০ টাকা। শসার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা। লাউয়ের পিস বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। বরবটিও আগের মতো ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

তবে পাকা টমেটোর দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। ঈদের আগে ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া টমেটো এখন ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম বাড়ার এ তালিকায় রয়েছে কাঁচা কলা ও পেঁপে। ৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া পেঁপে এখন ৫০ থেকে ৬০ টাকায় ঠেকেছে। আর ৩০ টাকার কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা।

অন্যদিকে, পটল, ঢেঁড়স, ঝিঙে, চিচিঙ্গার দাম কিছুটা কমেছে। পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, যা আগে ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা। ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া ঢেঁড়সের দাম কমে ৩০ থেকে ৪০ টাকা হয়েছে। ঝিঙে ও চিচিঙ্গার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, যা আগে ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

সবজির দামের বিষয়ে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী খায়রুল হোসেন বলেন, ঢেড়স, পটল, ঝিঙে, চিচিঙ্গার সরবরাহ বাড়ায় এগুলোর দাম কমেছে। আর পাকা টমেটোর সরবরাহ কমায় দাম বেড়েছে। এখন দিন যত যাবে পাকা টমেটোর দাম বাড়বে। কয়েকদিনের মধ্যে পাকা টমেটোর কেজি একশ টাকা হয়ে যেতে পারে।

ঈদের আগে ৭০০ টাকা কেজিতে ওঠা গরুর মাংসের দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বেশিরভাগ ব্যবসায়ী গরুর মাংসের কেজি ৭০০ টাকা বিক্রি করছেন। তবে মহল্লার সাপ্তাহিক ব্যবসায়ীরা গরুর মাংসের কেজি বিক্রি করছেন ৭২০ টাকা কেজি।

গরুর মাংস বাড়তি দামে বিক্রি হলেও ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। ঈদের আগে ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া মুরগির দাম কমে এখন ১৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে সোনালি মুরগির কেজি আগের মতই ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2019 WeeklyBangladeshNY.Net
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com